ওঙ্কার ডেস্ক: রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে রাশিয়াকে আর্থিক দিক থেকে দুর্বল করার কৌশল নিয়েছে আমেরিকা। জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীনই রাশিয়ার তেল কেনার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ওয়াশিংটন। ট্রাম্প ক্ষমতায় এসেও সেই বিধিনিষেধ বহাল রেখেছেন। শুধু তাই নয়, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করার কারণে ভারতের অধিকাংশ পণ্যের উপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। ফলে বর্তমানে ভারতের উপর মোট শুল্ক বেড়ে হয়েছে ৫০ শতাংশ। এতে তুষ্ট নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, বারংবার নয়াদিল্লিকে আরও জব্দ করার হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন ট্রাম্প।
তবুও যুদ্ধ থামেনি। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদামির জেলেনস্কির সঙ্গে প্রস্তাবিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকও আপাতত ভেস্তে গিয়েছে। এর মধ্যেই নতুন করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে সেই পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
এক সাংবাদিককে ট্রাম্প সরাসরি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেটা কি আপনি উল্লেখ করেছেন? চিনের পর ভারতই সবচেয়ে বেশি রাশিয়ার তেল আমদানি করে। আর আপনি বলছেন কোনও পদক্ষেপ হয়নি?” তাঁর দাবি, ভারতের উপর শুল্ক বৃদ্ধির জেরে ইতিমধ্যেই বহু কোটি ডলার লোকসান হয়েছে রাশিয়ার। একই সঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, “আমি এখনও দ্বিতীয় বা তৃতীয় ধাপের পদক্ষেপ করিনি। কিন্তু আপনি যদি বলেন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি, তাহলে আমার মনে হয় আপনার অন্য চাকরি খোঁজা উচিত।” আর এক সাংবাদিকের প্রশ্নে ট্রাম্প সাফ জানান, মস্কোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতেই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে।
