ওঙ্কার ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের সামনে বিজয় দিবসের ৮০তম পূর্তি উপলক্ষে অত্যন্ত শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল চিন। বিশেষজ্ঞদের মত, জাপানে পড়া পরমাণু বোমার চেয়ে ২০০ গুণ শক্তিশালী এই মারণাস্ত্র।
সম্প্রতি চিনে সাংহাই কোঅপারেটিভ অর্গানাইজেশন বা এসসিও-এর দু’দিনের বৈঠক শেষ হয়েছে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা অংশ নিয়েছিলেন। মূলত এই গোষ্ঠীর সদস্যভুক্ত দেশগুলি বৈঠকে সামিল হয়েছিল। দুদিনের সেই বৈঠকের পর বুধবার বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ ছিল। সেখানে ভয়ঙ্কর এই মারণাস্ত্রের ক্ষমতা প্রদর্শন করল চিন। অত্যাধুনিক ডিএফ-৫সি আন্তঃমহাদেশীয় পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। প্রসঙ্গত, জাপানের বিরুদ্ধে চিনের যুদ্ধজয়কে স্মরণীয় রাখতে প্রতি বছর ৩ সেপ্টেম্বর বিজয় দিবস পালন করে বেজিং। চলতি বছরে ৮০তম বিজয় দিবস পালন করছে দেশটি। বিশেষজ্ঞদের মত, ১৯৪৫ সালে জাপানে হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পড়া পরমাণু বোমার যা ক্ষমতা ছিল, তার থেকে ২০০ গুণ শক্তিশালী চিনের এই পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রটি।
ডিএফ-৫সির অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি দ্রুত উৎক্ষেপণ করা যাবে। সেই সঙ্গে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে আঘাত হানতে পারবে এই মারণাস্ত্রটি। এটির উৎক্ষেপণ পদ্ধতি একেবারের আলাদা বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ক্ষেপণাস্ত্রটির উড়ানের গতি ১০ ম্যাক। এটি স্বাধীন ভাবে আঘাত হানতে পারে। পাশাপাশি সঠিক ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এটি।