ওঙ্কার ডেস্কঃ নন্দীগ্রাম ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তৃণমূলের ছারখার অবস্থার মধ্যে শুভেন্দুর গড়েই প্রথম জেলা পরিষদ হাতছাড়া হল তৃণমূলের। শুক্রবার মেদিনীপুরের ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিলেন উত্তম বারিক। জানা যাচ্ছে, ৭ দিনের মধ্যে পদত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।
এপ্রসঙ্গে জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেতা বামদেব গুচ্ছাইত বলেন, “উনি যদি পদত্যাগ করে থাকেন, ওনাকে অভিনন্দন। উনি উন্নয়ন চান বলেই পদত্যাগ করেছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের উন্নয়ন যদি কেউ করে থাকে তিনি শুভেন্দু অধিকারী।”
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা ৭০। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৫৬টি আসন জিতেছিল তৃণমূল। বিজেপি ১৪টি আসন জেতে। জেলা সভাধিপতি পদে ছিলেন দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ, তৃণমূলের উত্তম বারিক। ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীও ছিলেন তিনি। সরকার বদলের পর থেকেই জেলা পরিষদ মুখো হননি তিনি। শুক্রবার আচমকাই পদত্যাগ করলেন তিনি।
উত্তম বারিক জানান, “মেদিনীপুরের ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিলাম। ৬-৭ দিন পর হিয়ারিং হবে। তারপর পদ খারিজের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।”
বিজেপিতে যোগ দিয়েই তৃণমূলের উৎখাতের চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তা তিনি কিছু বছরে করেও দেখিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র। ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে প্রথম জেলা পরিষদ হাতছাড়া তৃণমূলের।