স্পোর্টস রিপোর্টার : বিজয় হাজারে ট্রফিতে বাংলা ঘুরে দাঁড়াল দারুণভাবে। সোমবার রাজকোটের নিরঞ্জন শাহ স্টেডিয়ামে চণ্ডীগড়কে ছয় উইকেটে হারাল বাংলা, ১৪ বল বাকি থাকতেই। টস জিতে বাংলা চণ্ডীগড়কে ব্যাট করতে পাঠায়। এই ম্যাচে বাংলার হয়ে লিস্ট ‘এ’ অভিষেক হলো বিশাল ভাটির।
অধিনায়ক মনন ভোরার ১২৭ বলে ১২২ ও সান্যম সাইনির ৫৪ বলে ৬৭-তে ভর করে চণ্ডীগড় ৪৮.২ ওভারে ৩১৯ রান তোলে। ৪৮তম ওভারের প্রথম, পঞ্চম ও শেষ বলে তিন উইকেট তুলে নিয়ে এই প্রথম লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে কোনও ম্যাচে পাঁচ শিকার ঝুলিতে পুরলেন মুকেশ কুমার। তার আগে ৪৬তম ওভারের পঞ্চম বলেও একটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। চণ্ডীগড় পুরো ৫০ ওভার টিকতে পারেনি ডেথ ওভারে মুকেশের অনবদ্য স্পেলের কারণেই।
ম্যাচের সেরা মুকেশ ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। মহম্মদ শামি ১টি মেডেন-সহ ৯.২ ওভারে ৬৯ রান খরচ করে তিনটি উইকেট পেয়েছেন। শাহবাজ আহমেদ ৯ ওভারে ৫১ রানের বিনিময়ে নিলেন ২ উইকেট। আকাশ দীপ ৯ ওভারে ৫৬, করণ লাল ৮ ওভারে ৫৩ ও বিশাল ভাটি ৩ ওভারে ২০ রান দিয়েছেন, উইকেট পাননি।
জবাবে খেলতে নেমে বাংলা ৪৭.৪ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে কেরিয়ারের দ্বিতীয় শতরান হাঁকিয়ে অভিষেক পোড়েল করলেন ৮৪ বলে ১০৬, মেরেছেন ১২টি চার ও ২টি ছয়। অনুষ্টুপ মজুমদার ৭০ বলে ৬৩ রান করেছেন। বল হাতে দুই উইকেট নেওয়া তথা প্রথম ম্যাচে সেরার পুরস্কার জেতা শাহবাজ এদিনও ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন।
আটটি চার ও একটি ছয় দিয়ে সাজানো শাহবাজের ৬১ বলে ৭৬ রানের অপরাজিত ইনিংস। সুমন্ত গুপ্ত ১৫ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৩১ বলে ২৫, সুদীপ কুমার ঘরামি ২৫ বলে ১৭ রান করেন। জগজিৎ সিং সান্ধু, রোহিত ধান্ডা, নিশঙ্ক বিড়লা ও তরণপ্রীত সিং ১টি করে উইকেট নেন।
উল্লেখ্য, প্রথম ম্যাচে বাংলা বিদর্ভকে ৩ উইকেটে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে বরোদার কাছে ৪ উইকেটে পরাস্ত হয়েছিল। এদিন ফের জয়ের সরণিতে ফেরার পর বুধবার বাংলার পরবর্তী প্রতিপক্ষ জম্মু ও কাশ্মীর।
