ওঙ্কার ডেস্ক: বছরের প্রায় ৮-৯ মাস গরমে জেরবার হয়ে যায় দক্ষিণবঙ্গবাসী। এসি, ফ্যান ছাড়া যেন একমুহুর্তও থাকতে পারা যায়না। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই দক্ষিণবঙ্গে এসি তার ডিউটি শেষ করে চলে গেছে ছুটিতে, ফ্যানও প্রায় ভ্যাকেশন মুডেই আছে। কারণ, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই শীতের আমেজ উপভোগ করছে রাজ্যবাসী। খুব সকালে হালকা কুয়াশা পড়তে দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গেও। রাতে আর ভোরেও বেশ ভালোভাবেই উপভোগ করা যাচ্ছে ঠান্ডাকে।
স্বাভাবিকের চেয়ে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমেছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে ছুঁয়েছে। বাংলা জুড়েই পশ্চিমী হাওয়ার দাপট। শীতের আমেজ চলবে উইকেন্ড পর্যন্ত।
হওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্য বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ শক্তি হারাচ্ছে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ঘূর্ণাবর্তটি। পাশাপাশি আরো একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে উত্তর তামিলনাড়ু ও সংলগ্ন এলাকায়। তবে এর জেরে বাংলায় বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই।
দক্ষিণবঙ্গে আপাতত চার পাঁচ দিন তাপমাত্রার পরিবর্তন এর সম্ভাবনা কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই রকম থাকবে। চলতি সপ্তাহে শনিবার পর্যন্ত শীতের আমেজ রাতে ও সকালে।
উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং কালিম্পং আলিপুরদুয়ার কোচবিহার জলপাইগুড়ি সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা।
রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ। আপাতত শুষ্ক আবহাওয়াই বজায় থাকবে।আগামী পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় খুব বেশি পরিবর্তন নেই। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই।
তবে শীত প্রিয় মানুষদের মনে আপাতত একটাই প্রশ্ন কবে থেকে পড়ছে জাঁকিয়ে শীত!
