ওঙ্কার ডেস্কঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! বাংলায় পালাবদলের পর বিস্ফোরক দাবি মিডলম্যান তাপস মণ্ডলের। তিনি জানান, টাকা না পেলে ভেরিফিকেশন আটকে দেওয়া হত। কুন্তল ঘোষ টাকা পৌঁছে দিতেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কাছে। তাঁর কাছ থেকে টাকা যেত অভিষেকের কাছে। আর এই পুরো প্রসেস সম্পর্কে অবগত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক গ্রেফতার হয়েছিলেন এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়। পরবর্তীতে তাঁরা জামিনে মুক্তিও পান। এবার অবশেষে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিনে মুক্ত তাপস মণ্ডল। তাঁর কথায়, “আমি মোট নগদে ১৯ কোটির বেশি টাকা দিয়েছি। এক ডায়েরি মেনটেন করতাম। টাকা দিলেও লিখে রাখতাম, নিলেও। টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন আটকে দেওয়া হত। কালীঘাটের কাকু বলতেন, ‘সাহেব’ টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেন। আমি কুন্তলের হাতে টাকা পাঠাতাম। ও পৌঁছে দিত সুজয়কৃষ্ণের কাছে।”
তাপস মণ্ডলের দাবি, কালীঘাটের কাকুর সাহেব আদতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক এই দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড। ওর নির্দেশেই সব হতো। অভিষেকের নির্দেশ ছাড়া এত বড় দুর্নীতি হতে পারে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সবটা জানতেন। উনি জানেন না এটা হতে পারে না।”
সায়নী ঘোষের সম্বন্ধেও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি সায়নীকে ফ্ল্যাটও উপহার দিয়েছেন।