ওঙ্কার ডেস্ক:- বঙ্গে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে ফের তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং। নির্বাচনী প্রচারের মাঝে ভয়াবহ হামলার মুখে পড়লেন আইএসএফ নেতা আরাবুল ইসলাম। অভিযোগের তীর রাজ্যের শাসকদলের দিকে। আরাবুল ইসলামের দাবি, তিনি এলাকায় প্রচার সারছিলেন সেই সময় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতি হাতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে তাঁর গাড়ির ওপর চড়াও হন। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর গাড়ির কাঁচ। আরাবুলকে বাঁচাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন আইএসএফ কর্মীও আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। তবে কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান আরাবুল এবং তাঁকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়। এই হামলার পরেই কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইএসএফ সমর্থকরা। প্রতিবাদে বাসন্তী হাইওয়ের ঘটকপুকুর চৌমাথা রোডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা।
পরবর্তী কালে অবরোধস্থলে উপস্থিত হন আরাবুল ইসলামের ছেলে কিমুল ইসলাম। অবরোধের জেরে রাস্তা জুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এই বিষয়ে আরাবুল ইসলামের দাবি, “ওরা ওখানে কাউকে ভোট করতে দেয় না। যারাই প্রার্থী হয় বা প্রচারে যায়, তাদের ওপরই হামলা চালায়। আগে এসব কথা বিশ্বাস করিনি, কিন্তু আজ আমার ওপরেই যখন হামলা হল, তখন হাতে-নাতে প্রমাণ পেলাম। আমাকে স্রেফ মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। হামলাকারীদের সবার হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও তলোয়ার ছিল।” এই বিষয়ে পাল্টা শাসক দলের দাবি, এটি আইএসএফ-এর অভ্যন্তরীণ বিবাদ। এর সঙ্গে রাজ্যের শাসকদলের কোন ও সম্পর্ক নেই। ভোটের ঠিক দু’দিন আগে আরাবুলের ওপর এই হামলা ক্যানিং ও ভাঙড় চত্বরে নিরাপত্তার বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল। ঘটনাটির তদন্ত করছে পুলিশ।