ওঙ্কার ডেস্ক: ক্ষমতা বদলের পর থেকেই তৃণমূলের একের পর এক নেতার গুপ্তধনের হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার বিহারের মুগলসরাই থেকে তাঁকে আটক করা হয়। তার পরে তাঁকে এ রাজ্যে আনা প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। এই পূর্ব বর্ধমানেরই আর এক বিধায়ককেও আটক করা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী ‘চুরি’র অভিযোগে আটক পূর্বস্থলী উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার ত্রিপল-সহ প্রচুর পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী। এ ছাড়াও, এই জেলার আরও দুই তৃণমূল নেতাকে ১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কাটোয়া থেকে দু’জনকে ধরা হয়। ওই মামলায় নাম জড়িয়েছে কাটোয়ার প্রাক্তন বিধায়কেরও।
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কাটোয়া স্টেশন বাজার এলাকা থেকে দিগন্ত পাল নামে এক তৃণমূল নেতাকে আটক করে পুলিশ। পরে একই মামলায় বিশ্বনাথ সাহা নামে আর এক তৃণমূল নেতাকে পাকড়াও করা হয়। দু’জনকে থানায় নিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই মামলায় নাম জড়িয়েছে কাটোয়ার প্রাক্তন বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, সুকেশ চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার। গ্রেফতারির পর ওই বিধায়ক জানান ২০১৬ সালে করুই অঞ্চলে সিপিএমের প্রধান থাকার সময়কার একটি ঘটনাকে সামনে এনে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই গ্রেফতারি। একই দাবি শোনা যায় কাটোয়ার প্রাক্তন বিধায়কের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য জুড়ে পরিকল্পিত ভাবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। সাজানো অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পদক্ষেপ করছে।’’ রবীন্দ্রনাথের আরও দাবি, একই অভিযোগে দু’বার মামলা রুজু হয়। প্রথম বার কোনও তৃণমূল নেতার নাম ছিল না। পরে ইচ্ছাকৃত ভাবে যোগ করা হয়।
উল্লেখ্য রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকেই একাধিক তৃণমূল নেতার গুপ্তধনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা।