ওঙ্কার ডেস্ক: বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এক অভিযুক্ত এনকাউন্টার করা নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বিজেপি পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, বিরোধিতা করেছে মমতাপন্থী তৃণমূল এবং কংগ্রেস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র শুভেন্দু অধিকারীর সরকারকে বিঁধে লিখেছেন বাংলায় ‘জঙ্গলরাজ’ শুরু হয়েছে।
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন ‘এ সব কী হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ?’ তিনি আরও বলেন, ‘বাঙালিরা দয়া করে নতুন বাংলা— অর্থাৎ উত্তরপ্রদেশ ২.০-কে স্বাগত জানান।’ অন্য দিকে কংগ্রেসের দাবি, এ ভাবে এনকাউন্টারের পথে না হেঁটে বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা উচিত। উল্লেখ্য, বারুইপুর কাণ্ডে ধৃত চার অভিযুক্তের মধ্যে এক জন প্রভাস মণ্ডল। মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে তদন্তকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। আর তখনই তাকে গুলি করা হয়। পরে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা ত্যাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রসঙ্গত, রবিবার বারুইপুরের সূর্যপুরে এক ১১ বছর বয়সী নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয় পুকুর থেকে। বস্তাবন্দি সেই দেহ উদ্ধারের পর পরিবার অভিযোগ করে, তাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও সেই দাবির পক্ষে প্রমাণ মেলে। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে একে একে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ছিল প্রভাস মণ্ডলও। এ ছাড়া আনন্দ সরদার নামে আরও এক অভিযুক্ত-সহ তিন জনকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় দোষীদের ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট হবে বলে আগেই বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বিচার শেষ হওয়ার আগেই এনকাউন্টারে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হল।