ওঙ্কার ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি মন্ত্রিসভায় ৯ মে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও ক্যাবিনেট মন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল সহ আরও ৫ জন। তার ঠিক ৩ সপ্তাহ পর সোমবার মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটাতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রবিবারই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ৩৫ জন বিধায়ক মন্ত্রী পদে শপথ নেবেন। বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকার তথা শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার দর্শন কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে।
সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী মমতা সরকারের মত একজনকেই একাধিক পদে আসীন করবেন না। বাংলায় এখন অর্থ দফতর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই যুৎসই কাউকে না পাওয়া পর্যন্ত অর্থ দফতর মুখ্যমন্ত্রীর অধীনেই থাকবে। সেই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র, শিল্প এবং ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর মুখ্যমন্ত্রীর অধীনে থাকতে পারে। অন্যদিকে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে মেধাকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেকারণেই প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য স্বপন দাশগুপ্তকে শিক্ষামন্ত্রী করা হতে পারে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভায় একজন মন্ত্রীকেই দুটি বা তিনটি দফতরের মন্ত্রী করার রেওয়াজ ছিল। এ ব্যাপারে রেকর্ড গড়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার মহা নাগরিক পদে রাখার পাশাপাশি তাঁকে দমকল, আবাসন ও পরিবেশ দফতরের মন্ত্রী করা হয়েছিল। অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতারা বরাবরই দুটি করে দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। সেই রেওয়াজও ভেঙে দিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
সম্ভবত কোনও মন্ত্রীকেই দুটি দফতরের দায়িত্বে রাখা হবে না। কারণ সেখানেও মেধার বিষয়টাই চ্যালেঞ্জ। সেই সঙ্গে চ্যালেঞ্জ পারফরমেন্সও। দিলীপ ঘোষ বা অগ্নিমিত্রা পালের মতো মন্ত্রীদের কাছে বর্তমানে দুটি করে দফতরের দায়িত্ব থাকলেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি করে দফতরের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় সূত্রে খবর, দফতরের বন্টনের বিষয়টি এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়।