ওঙ্কার ডেস্ক:- বাংলায় দুই দফায় সপন্ন করা হবে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচন কে কার্যত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বেষ্টনীতে করতে, উঠে পড়ে লেগেছে নির্বাচন সোমবার রাতে এক বিবৃতি প্রকাশ করে কমিশন জানিয়েছিল, ভোটের দু’দিন আগে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত রাস্তায় বাইক চালানোই যাবে না। ভোটের দিনেও বাইক চালানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম মানার কথা বলা হয়। ওই নোটিসে পুরো বিষয়টির যথাযথ ব্যাখ্যা না থাকায় সাধারণ মানুষদের মনে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন ওঠে অ্যাপ–ক্যাব এবং ফুড ডেলিভারি বয়দের নিয়ে। সেই বিভ্রান্তি দূর করতে প্রকাশ করা বিবৃতিকে আরও স্পষ্ট করল কমিশন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর রয়েছে মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দুই মেদিনীপুরে বাইকে চেপে হল্লাবাজি করা হচ্ছে। প্রচারের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরে আর বাইক মিছিল করা যাবে না। ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শুধুমাত্র পরিবার নিয়ে অথবা ভোট দেওয়ার জন্য কিংবা মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি, পারিবারিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করা হচ্ছে। অ্যাপ–সার্ভিস নিয়েও সমস্যা হবে না।’ এর ফলে ডেলিভারির কাজের সঙ্গে যুক্ত অনেকের সুবিধা হবে। এছাড়াও যদি কারও বিশেষ কোনও কারনে বাইরে যেতে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে পারমিশন নিতে হবে। রাজ্য পুলিশের ডিজি, পরিবহন দফতরের এডিজি এবং সমস্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের এই নির্দেশ কড়াকড়িভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এমনকি নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, প্রতিবার ভোটের আগে বাইক নিয়ে মিছিল ও দাপাদাপির অভিযোগ সামনে আসে। সে কথা মাথায় রেখে এ বার প্রথম দফার নির্বাচনের দু’দিন আগে থেকেই বাইক মিছিলে লাগাম টানতে নির্দেশিকা জারি করে কমিশন। মঙ্গলবার অবশ্য কমিশনের তরফে ব্যাখ্যা দিয়ে জানানো হয়েছে, চিকিৎসা, পারিবারিক কাজ কিংবা স্কুলের শিশুদের নিয়ে যাওয়ার মতো জরুরি কাজে এই নিয়ম লাগু হবে না। র্যা পিডো কিংবা ওলা–উবরের মতো অ্যাপভিত্তিক পরিষেবার ক্ষেত্রেও ওই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে না।