নিজস্ব সংবাদদাতা : ‘কলাকাতায় তো মদের দোকান বন্ধ করতে বলিনি ! সাংবাদিকদের প্রশ্নে কার্যত বিস্ময় প্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি বলেন, “এটা কেন হল তা আমার জানা নেই”। এই বিভ্রান্তির দায় বরং চাপিয়ে দিলেন তিনি আবগারি দফতরের উপর।
রাজ্যের দু দফার ভোট যাতে নির্বিঘ্নে সম্পূর্ণ হয় সে ব্যাপারে নানান বিধি নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। সামনে পিছনে যুক্তিতর্কে না গিয়ে যদি কমিশনের উদ্দেশ্য তুলে ধরতে হয়, তাহলে বলতেই হয় প্রথম থেকে কমিশন বলে আসছে ‘হিংসা মুক্ত, ভয় মুক্ত ভোট’ করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সোমবার নির্বাচন কমিশন এক নির্দেশিকা জারি করে মদের দোকান বন্ধ থেকে বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম হল, যেখানে ভোট রয়েছে সেখানে ৪৮ ঘণ্টা আগে মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে। প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ হবে ১৫২টি আসনে। সেখানে আজ থেকে মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু কলকাতা সহ শহরতলীতে ভোট হওয়ার কথা দ্বিতীয় দফায় তাহলে কেন বন্ধ করা হল তা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করছেন।
উল্লেখ্য, ভোটের সময়ে ড্রাই দের কথা নতুন নয় কিন্তু এবার ভোটের আগে সোমবার থেকেই যেভাবে মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়, তা নিয়ে রীতিমত হইচই পড়ে যায়। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট গ্রহণ হবে মুর্শিদাবাদ সহ গোটা উত্তরবঙ্গ, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। তার ৪৮ ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে মদের দোকান বন্ধ হওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যায়, যেখানে প্রথম দফায় ভোট নেই, সোমবার থেকে সেই সব জেলাতেও মদের দোকানে তালা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কমিশনের একাংশের মতে এটা ইচ্ছাকৃত করা হয়েছে এবং এর দায় কমিশনের উপর চাপানো হয়েছে।