ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর একে একে দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন বহু নেতা নেত্রী। যা নিয়ে অস্বস্তিতে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল। এই আবহে এবার তৃণমূল নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী করলেন তৃণমূল মুখপাত্র বিশ্বজিৎ দেব। তাঁর দাবি, জোড়াফুল শিবিরের ভবিষ্যৎ কিছু নেই। শীঘ্রই তিনি তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল সরকার কী কারণে তছনছ হয়ে গেল তা নিয়ে এখনও ঘাসফুল শিবিরের মধ্যে চলছে হিসেবনিকেশ। পরাজয়ের ময়নাতদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজিৎ দেবের মত পরাজয়ের পিছনে কারণ দুর্নীতি। আর যা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানতেন বলে মত তাঁর। তাঁর কথায়, ‘একটি গোষ্ঠী ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে। আরেকটি অভিষেককে ঘিরে। গোষ্ঠীর বাইরে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী, বিধায়ক-সাংসদরা যেতে পারতেন না।’ তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী সংস্থার ভূমিকায় কাজ করেছে আইপ্যাক। এই বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা নিয়েও ক্ষুব্ধ ওই তৃণমূল নেতা। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল অথচ বাণিজ্যিক কোনও সংস্থার মাধ্যমে ডিল করতে হবে, নেতৃত্বের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ থাকবে না, তা হতে পারে না।’
উল্লেখ্য, শুধু বিশ্বজিৎ দেব নন, সম্প্রতি দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস প্রসঙ্গে বলেন, ‘ভবিষ্যৎ একেবারেই অন্ধকার। আমার মনে হয়, এই দল বেশিদিন টিকতে পারবে না। যেমনটা হয়েছিল বাংলা কংগ্রেসের ক্ষেত্রে, যে দলটি ১৯৬৬ সালে অজয় মুখার্জি গঠন করেছিলেন এবং ১৯৭১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যেতে বাধ্য হয়েছিল। ৫-৬ বছরের মধ্যেই দলটি উধাও হয়ে যায়।’