ওঙ্কার ডেস্ক: ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সময়ে সাড়ে তিন ঘণ্টা পরে ভবানী ভবন থেকে বার হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারের পর মঙ্গল বার ফের ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সিআইডির দেওয়া সময়ের কিছু আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে যান তিনি। আবার তাঁকে এই মামলায় তলব করা হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে অভিষেক ‘ডিজে’ বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। ভোটগণনার পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্যের সময়ে তিনি বলেছিলেন, “ডিজে তো বাজবেই, এমন জোরে বাজবে কান ঝালাপালা করে দেব!” অভিষেকের এমন মন্তব্য ঘিরে পরবর্তী সময়ে অভিযোগ দায়ের হয়। সূত্রের খবর, অভিষেকের বিরুদ্ধে সল্টলেকে সাইবার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। ওই মামলায় গত শুক্রবারই অভিষেকের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে গিয়ে নোটিস ধরিয়ে এসেছিল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এর আগে অনেকবার বার কয়েকবার অভিষেককে সমন করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। এই গত ছ’দিনে তিন বার সিআইডি দফতরে হাজিরা দিলেন অভিষেক। মাঝে সোমবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সেও গিয়েছিলেন তিনি। গত বুধবার, ১১ জুন দিল্লি থেকে ফিরেই সই-কাণ্ডে ভবানী ভবনে হাজিরা দেন অভিষেক। সে দিন সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডির গোয়েন্দারা। সেই মামলাতে রবিবার আবার তাঁকে তলব করেছিল সিআইডি। সেই মতো হাজিরাও দেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। সে দিন সাড়ে ৮ ঘণ্টা সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। তার মধ্যেই প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে নোটিস ধরিয়েছিল ইডি।
এইবার ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সময়ে তার এই পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সেই নিয়ে বেশ কয়েকবার তাঁর বাড়িতে হানা দেয় তদন্ত কারী সংস্থা ed থেকে cbi। সোমবার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির তলবে হাজিরা দেন তৃণমূল নেতা। ১১ ঘণ্টা সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। রবিবার ভবানী ভবনের সিআইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক। বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে সাড়ে আট ঘণ্টা সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সোমবারও ১১ ঘণ্টা সিজিও কমপ্লেক্সে ছিলেন অভিষেক। তৃণমূল নেতার দাবি, ১১ ঘণ্টা ধরেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সিজিও থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, “এই ঘটনায় আমাকে শেষ বার ডাকা হয়েছিল ২০২৩ সালে। আমি তখনও এসেছিলাম। সব মিলিয়ে ১০-১২ বার আমি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছি।’’