ওঙ্কার ডেস্ক: রবিবাসরীয় সকালে তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সকাল সকাল হানা দিল জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু বার বার ডাকাডাকি করা সত্ত্বেও তিনি দরজা খোলেননি। তবে সাতসকালে কি কারণে এই পুলিসি হানা তা এখনও জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার ৩৯ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জসিমউদ্দিন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক এলাকায় তোলাবাজি থেকে শুরু করে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বেশিরভাগ এলাকাবাসির মনে সেই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জমেছিল ক্ষোভ। অভিযোগ, এক নাবালিকাকে হেনস্থার অভিযোগে ওই এলাকা থেকেই কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ এক জনকে শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশ। তার পর সকালেই কাউন্সিলরের বাড়িতে তারা এসেছে। পকসো আইনে রুজু হওয়া সেই মামলার প্রেক্ষিতেই জসিমউদ্দিনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় সুত্রে খবর, এদিন ভোর ৬ টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে এসে পৌঁছায়। বারবার তাঁর বাড়ির দরজা সামনে পুলিশ পৌঁছালেও তিনি দরজা খোলেননি। কিন্তু পাঁচ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও কেউ দরজা খোলেননি। পুলিশ অপেক্ষা করছে। ডাকাডাকিও করা হচ্ছে। কাউন্সিলরের বাড়িতে পুলিশ গিয়েছে শুনেই এলাকার বিক্ষুব্ধেরা ধীরে ধীরে সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন। অনেকেই হাতে ডিম নিয়ে বাড়ির নীচে দাঁড়িয়ে আছেন। ওই ডিম তাঁরা কাউন্সিলরের গায়ে ছুড়তে চান বলে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শনিবার রাতেই পাটুলিতে ধরা পড়েছেন কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত। এই নিয়ে কলকাতা পুরসভার পর পর সাত জন তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেফতার হলেন। বাপ্পাদিত্যের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হলে স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা সেখানে জড়ো হয়ে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। ওঠে ‘চোর চোর’ স্লোগানও। অনেকেই হাতে ডিম নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে শেষমেশ নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।