ওঙ্কার ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরের বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠক হবে আগামী ৮ জুন। সেই বৈঠকে যোগ দিতে যাবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪ ঠা মে রাজ্যে পালাবদলের পর রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, সম্পূর্ণ ভোট লুট করে তাদের আসন ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের হারের পরে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব কলকাতায় এসে কালীঘাটে মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিষেকও। ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে মমতা একাধিক বার বলেছেন, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের লক্ষ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হবে। ঐক্যবদ্ধ ভাবে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ সেই লড়াই করবে।
বৈঠক কবে হবে সে নিয়ে জলঘোলা হচ্ছিল। প্রথমে ঠিক ছিল ২ জুন হবে ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠক। কিন্তু একাধিক নেতার ওই দিন দিল্লি যাওয়া সম্ভব নয় বলে তাঁরা জানান কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে। তার পরে ৮ জুন বৈঠকের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। ৩০ মে শনিবার সোনারপুরে অভিষেকের উপর আক্রমণের ঘটনাকে নিয়ে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রায় সমস্ত প্রথম সারির নেতা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, খড়্গে, অখিলেশ, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরীবাল, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন প্রমুখ। সেই সব পোস্টগুলিকে রিপোস্ট করে অভিষেক ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছিল তৃণমূল চাইছে সর্বভারর্তীয় স্তরে বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে ‘সমন্বয়’ রেখে চলতে। সেই মত হারের পর এই প্রথম রাজধানীতে যাচ্ছেন তৃণমূলশীর্ষ নেতৃত্ব। অপর দিকে ভেঙে যাওয়ার পথে গোটা তৃণমূল দল। আদি ও নব্য তৃণমূলের লড়াইয়ের ফলে ভাঙতে বসতে চলেছে। ৩০ মে শনিবার সোনারপুরে অভিষেকের উপর আক্রমণের ঘটনাকে নিয়ে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রায় সমস্ত প্রথম সারির নেতা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, খড়্গে, অখিলেশ, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরীবাল, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন প্রমুখ।