ওঙ্কার ডেস্ক: বক্তা তালিকা থেকে তাঁর নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামানের কাছে জবাব চেয়ে বিধানসভা থেকে বুধবার বহিষ্কৃত হয়েছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও বিধানসভায় হট্টগোলের কেন্দ্রবিন্দু হলেন তিনি। এদিন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বোসের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান কুণাল।
ঠিক কী হয়েছিল? বৃহস্পতিবার স্পিকারকে উদ্দেশ করে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘গত কালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।’ তাতে স্পিকার বলেন, ‘কী বলবেন আবার? যা ঘটেছে তা কলঙ্কজনক। আজ তা নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না।’ স্পিকার এ কথা বলার পর নিজের আসন থেকে উঠে তাঁর সামনে যান কুণাল। তিনি বলেন, ‘কলঙ্কের কথাটা ঠিক বললেন না’। বেলেঘাটার বিধায়কের এই মন্তব্যের পরই হট্টগোল শুরু হয় বিধানসভায়।
উল্লেখ্য, বুধবার কুণাল ঘোষকে বিধানসভার নিরাপত্তারক্ষীরা টেনেহিঁচড়ে বের করে দেন। স্পিকারের নির্দেশে তাঁরা বেলেঘাটার বিধায়ককে কক্ষ থেকে বাইরে বের করেন। তার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওই দিনেই ঋতব্রত শিবিরকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবারও তাঁর আক্রমণের নিশানায় ছিল বেসুরো তৃণমূল বিধায়করা। কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বকলেস পরা বিরোধীরা কোনও কিছুর প্রতিবাদ করছেন না। ওরা বিজেপির দালালি করছে নিজের স্বার্থে। আমরা কথা বলছি মানুষের স্বার্থে। বিজেপি চায় না আমি বলি, শক্তিশালী কণ্ঠ বলুক। আমি একজন বিধায়ক, আমার দল যখন নাম দিচ্ছে তখন বলতে দিতে হবে।’