ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসই তাঁকে বহিষ্কার করেছিল দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে সেই তৃণমূলই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের বিধায়ক এবং সাংসদরা দলনেত্রীর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেছেন। কিন্তু এই দুঃসময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। যদিও আগেও তিনি একাধিকবার তৃণমূলকে মিত্রতার বার্তা দিয়েছেন।
আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর সম্প্রতি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন। এতে সমস্যার তো কিছু নেই।’ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে নওদার বিধায়ক বলেন, ‘ওনার দলের বিধায়করা হাত ছেড়ে আলাদা হয়ে গিয়েছেন। সাংসদরা ঘুরপথে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। আমি চাই উনি রাজনীতিতে থাকুন। আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন। আমি চাই উনি আবার নির্বাচনে লড়ুন।’
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বিজেপির আঁতাতের অভিযোগ উঠেছিল। একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সমাজ মাধ্যমে, যেখানে হুমায়ুনের সঙ্গে বিজেপির সংযোগের কথা শোনা গিয়েছিল। যার ফলে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির জোটসঙ্গী আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম তাঁর হাত ছাড়েন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর দলের একাধিক প্রার্থীও সরে দাঁড়ান। হুমায়ুন একাই রেজিনগর ও নওদা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুটিতেই জয়ী হন তিনি। তার পর রেজিনগর আসনটি তিনি ছেড়ে দেন। হুমায়ুন আগেই বার্তা দিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলে তাঁকে বিধানসভায় পাঠাতে পারেন তিনি। তবে তার জন্য তাঁর কাছে আসতে হবে বলে দাবি করেন হুমায়ুন।