তৃণমূল সরকার গোটা রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী কিন্তু মে মাসের পর আর সেই ভয় থাকবে না বলে তাঁর দাবী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল এবার নিজেই ভয়ে পালাবে আর বাংলাও ভয়মুক্ত হবে। আগামী দিনে ভয় নয়, শুধু ভরসা থাকবে। নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা আছে বলে বক্তব্য রাখেন মোদী।
(৭)
মোদী বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় জায়গা দিয়েছে তৃণমূল। তারা বাংলার প্রকৃতি বদলে দিচ্ছে। বিজেপি সরকারে এলে এই অনুপ্রবেশকারীদের আটকাবে। ভোটের পর এদের হিসেব হবে।
(৬)
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চৌদ্দ বছরে রাজ্যের মানুষের সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছে এবার বিজেপি সরকারে এলে তার শেষ হবে। এটা মোদীর গ্যারেন্টি বলে প্রতিশ্রুতি দেন নরেন্দ্র মোদী।
(৫)
এখানকার জনজাতি সম্প্রদায় প্রধানমন্ত্রীর যোজনার সুযোগ পাচ্ছে না। মোদী বলেন, এঁদের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে তা খরচ করতে পারছে না তৃণমূল সরকার।
(৪)
বাংলার দুর্দশার জন্য প্রথমে কংগ্রেস সরকার, পরে বাম এবং এখন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। বললেন, একসময় দেশের অন্যত্র থেকে রোজগারের জন্য বাংলায় লোক আসতো। এখন বাংলা থেকে লোকেরা চলে যাচ্ছে বকাইরে। কারণ এখানে রোজগার বা কর্মস্থানের কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, তৃণমূল সরকার পুরো বাংলার সর্বনাশ করেছে। সবচে খারাপ অবস্থা উত্তরবঙ্গের বলে তিনি জানান।
(৩)
সংসদীয় রাজনীতিতে অধিক সংখ্যক মহিলা প্রতিনিধিত্বের পক্ষে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী।
(২)
মোদীর ভাষণে উঠে এলো মালদহ কাণ্ড। এর জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মোদী।
( ১)
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সুর চড়াতে রবিবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে বিজেপির ‘বিজয় সংকল্প সভা’ থেকে দলের নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যে প্রথমে উঠে এলো রাজ্যের সিন্ডিকেট রাজ। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বললেন, এর পালটানো দরকার। নতুন বাংলা গড়ার ডাক দিলেন মোদি। সরাসরি তৃণমূলকে দায়ি করে কাটমানি ও অনুপ্রবেশ রুখতে বিজেপি সরকার জরুরি বলে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।