ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের পরিষদীয় দলকে বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার রথীন বোস। আগামী ১৮ জুন রাজ্যের বাজেট অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। তার আগে, মঙ্গলবার বিধানসভায় সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ পান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধ এই গোষ্ঠীর কী নাম হবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হল বিধানসভার অন্দরে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এর দল নিয়ে এদিন টিপ্পনী কাটেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শুরু হওয়ার আগে স্বপন দাশগুপ্ত মজার ছলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানতে চান, ‘আপনাদের দলের নাম তাহলে কী ঠিক হল?’ উত্তরে তিনি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের পংক্তি উল্লেখ করে বলেন, ‘নামে কী বা আসে যায়!’ তাঁর এমন মন্তব্য শুনে হেসে ফেলেন সবাই। উল্লেখ্য, এদিন সর্বদলীয় বৈঠক নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। কারণ, তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে এই বৈঠকে ডাকা হয়নি। কেন ডাকা হয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কুণাল ঘোষদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বৈঠকে ডাকা হয়েছিল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। ডাকা হয় আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এবং সিপিএমের বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমানকে।
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ না জানানোর পিছনে সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। বিধানসভার বিএ কমিটি এবং সর্বদলীয় বৈঠকে শোভনদেবকে না ডেকে ঋতব্রত শিবিরকে আমন্ত্রণ জানানোর পিছনে তাৎপর্য রয়েছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের। সংখ্যার নিরিখে নতুন সমীকরণকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে বিধানসভার সচিবালয়। তবে রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এ বিষয়ে বলেন, এতে কোনও বিতর্কই নেই।