ওঙ্কার ডেস্কঃ মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার আগে বাংলা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সোমবার বিধানসভায় দেখা গেল নয়া সমীকরণ। যা নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।
সোমবার আর পাঁচটা দিনের মতোই বিধানসভায় এসে পৌঁছান প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সেখানেই সন্দীপন সাহা তাঁকে নিয়ে বর্তমান বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে নিয়ে যান। খোদ ববি হাকিম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। শাসকদলের অন্দরে ভাঙনের মধ্যে এই ঘটনাকে মোটেও হালকাভাবে দেখছে না রাজনৈতিক মহল।
প্রশ্ন উঠছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও কি দূরত্ব তৈরি করছেন ফিরহাদ হাকিম? যদিও এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি ফিরহাদ হাকিম বা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
৫ জুন শুক্রবার কলকাতা পুরসভার মেয়রের ছাড়েন ববি। কিন্তু তাঁর এই নাটকীয় ইস্তফার পরই রাজ্য রাজনীতিতে দানা বাঁধে এক নতুন জল্পনা— ববি হাকিমও কি তবে পা বাড়াচ্ছেন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূলের শিবিরে? যদিও ঋতব্রত বলেন, “ববিদার সঙ্গে এর মধ্যে আমার সরাসরি কোনও কথা হয়নি, নবান্নে কেবল একটু সাধারণ কথা হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই যদি সুযোগ হয়, ববিদাকেও ফোন করব। তবে ফোন করে কী বলব, সেটা তো ভবিষ্যতের কথা।”
কী কথা হল ববি হাকিমের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সে প্রশ্ন থাকছেই। মমতার বিপদের দিনে কী সত্যিই হাত ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম।