ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন করে বহু মানুষের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন মানুষ। গত ১৫ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পর থেকে রাজ্যের একাধিক উচ্চ পদস্থ আমলাকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। প্রথম দফার ভোট হতে আর এক মাসও বাকি নেই। এই আবহে নির্বাচনে ইভিএম মেশিনে কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন ব্রাত্য বসু এবং সায়নী ঘোষ। সেই বৈঠক থেকে এই উদ্বেগের কথা জানান তৃণমূল নেতৃত্ব।
বুধবার শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন বিজেপি ১৭৭টি আসন পাবে বলে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘নির্দিষ্টভাবে ১৭৭ কীভাবে বলছেন শুভেন্দু? তবে কি ইভিএম হ্যাক করার পরিকল্পনা হয়ে গিয়েছে? আমরা সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারী কীভাবে নিশ্চিতভাবে ১৭৭ আসনের কথা বলছেন? ভোট এখনও হয়নি, ফল প্রকাশ অনেক দূরের কথা, তবুও এত নির্দিষ্ট সংখ্যা কীভাবে জানলেন? তবে কি আগে থেকেই কিছু পরিকল্পনা হয়ে রয়েছে?’
উল্লেখ্য, বুধবার রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্র শেখর মন্ডলের সমর্থনে কর্মীসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভায় তিনি বলেন, ‘২০১৬-তে ৩, ২০২১-এ ৭৭, এবারে ১৭৭-এর নীচে নামবে না। ২০১৬ এবং ২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মার্জিন কত করবেন সেটা আপনারা ঠিক করবেন, কত বাড়াবেন। সমাজদার কে লিয়ে ইশারা হি কাফি হ্যয়!’