ওঙ্কার ডেস্ক: তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। শুধু তাই নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিতও। সেই সায়নী ঘোষ এবার যুক্ত হতে চলেছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে! যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল সাংসদ এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি।
সোমবারই রাজধানী দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে তৃণমূল কংগ্রেসের বেসুরো সাংসদরা বৈঠক করেন। সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে সেই বৈঠকে একাধিক সাংসদ যোগ দেন। এরপর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দেন তৃণমূলের বেসুরো সাংসদরা। সেখানে এনডিএ শিবিরে যুক্ত হওয়ার আর্জি জানানো হয়। যদিও সোমবার যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সায়নী ঘোষের স্বাক্ষর ছিল কিনা তা জানা যায়নি। তবে সূত্রের দাবি, তৃণমূলের এই যুবনেত্রী বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানোর জন্য যোগাযোগ শুরু করেছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসে তাঁর সাংগঠনিক দায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্রে তৃণমূল তাঁকে টিকিট দেয়। এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হন সায়নী। এরপর ধীরে ধীরে মমতাকেই অনুসরণ করতে শুরু করেন অভিনেত্রী। পরনে সাদা শাড়ি, পায়ে হাওয়াই চটি পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে দেখা গিয়েছে। সেই সায়নী ঘোষই এবার বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন বলে সূত্রের দাবি।
উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর কার্যত রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে মুছে যেতে বসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আগেই রাজ্য বিধানসভার পরিষদীয় দল হাত ছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জয়ী ৮০ বিধায়কের মধ্যে সিংহভাগই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছেন। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বোস বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতের নামে সিলমোহর দিয়েছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনীত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সংখ্যার কারণে বিরোধী দলনেতা হতে পারেননি।