পালাবদল হতেই মমতার তৃণমূল ভেঙে চুরমার। নেত্রীর দীর্ঘদিনের সঙ্গীরা তাঁর হাত ছেড়েছেন। কিন্তু কেন? কেন দল ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে সন্ধি করলেন বিদ্রোহী’ তৃণমূলরা?
সূত্রের খবর, এমন নানা প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ সাংসদ ও ৬৮ বিধায়ক ঘরোয়া আলোচনায় বলছেন, “শুধু নিজেদের সুরক্ষা নয়, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ও স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিজেপির হামলা থেকে বাঁচাতেই ঘুরপথে ‘পদ্ম-শিবিরের সঙ্গে সন্ধি’ করতে বাধ্য হয়েছি।”
এমন পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ ও বিধায়করা সকলেই একবাক্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে কলকাতায় আসা জেলার বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়করা স্বীকার করেছেন, “আগের চেয়ে এখন এলাকায় রাজনৈতিক হামলা কিছুটা কমেছে পুলিশি হয়রানি ও তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে অকারণে অভিযান বন্ধ করা গেছে। দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিয়েও কথা হচ্ছে।”
ঋতব্রত-ঘনিষ্ঠ বিধায়করা জানান, ৪ মে-র পর প্রথম ১৫ দিনে নিচুতলার তৃণমূল কর্মীরা যখন ভয়ংকরভাবে অত্যাচারিত হচ্ছিলেন তখন কেউই ‘সেফ-গার্ড’ দিতে পারেনি। কিন্তু এখন হামলা হলে পুলিশ কথা শুনছে, বিজেপি নেতৃত্বকেও বলা যাচ্ছে।