ওঙ্কার ডেস্কঃ ভোটের ফল ঘোষণার পর বিরোধীদের হুমকি ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের পৈলানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু তড়িঘড়ি গা ঢাকা দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। অবশেষে পুরীর একটি হোটেল থেকে বুধবার সকালে তাঁকে আটক করেছে এসটিএফ।
গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে বুধবার সকালে পুরীর নিউ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ব্লু লিলি হোটেলে তল্লাশি চালায় এসটিএফের একটি দল। সেখান থেকেই দিলীপ মণ্ডলকে আটক করা হয়। সূত্রের খবর, তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসছে পুলিশ।
সমাজমাধ্যমে তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “১৫ বছর ধরে অনেক সংযম দেখিয়েছিলাম। শান্তিতে রেখেছিলাম। কিন্তু আর তা হবে না।” বিজেপিকে প্রকাশ্যে হুমকি দিতেও শোনা গিয়েছে তাঁকে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দিলীপের বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর দায়ের হয়।
গত ১৪ মে, সকালে দিলীপ মণ্ডলের পৈলানের বাড়িতে যায় পুলিশ। বাড়িতে ঢুকে তৃণমূল বিধায়কের বিলাসবহুল জীবনযাপন দেখে তাজ্জব পুলিশ কর্মীরা। ওই বাড়িতে রয়েছে চিড়িয়াখানা, একাধিক দামী গাড়ি, সুইমিং পুল, দোলনা-সহ কাঠের আসবাবপত্র। এছাড়াও বাড়িতে একটি গুহাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই তল্লাশি অভিযানের পর থেকেই বেপাত্তা বিধায়ক। গত ১৭ মে, রবিবার রাজ্য পুলিশের টাস্ক ফোর্স এবং ডায়মন্ড হারবারের জেলা পুলিশের আধিকারিকরা বিধায়কপুত্র অর্ঘ্য মণ্ডল সহ পাঁচজনকে বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। তাঁদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অবশেষে দিলীপ মণ্ডলকে গ্রেফতার করল এসটিএফ।