ওঙ্কার ডেস্ক: এক এস আই আর এর সময় আর এখন, ফের ভিড় বাড়ছে স্বরূপনগর হাকিমপুর সীমান্তে। দলে দলে ওপার বাংলায় যাওয়ার উদ্দেশে জড় হচ্ছেন তাঁরা। ভৌগোলিক অবস্থান অনুসারে হাকিমপুরের পরে পরছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা। এর ফলে অনেকেই সুযোগ বুঝে এপারে ছলে আসতেন। দিন দুই আগেই জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর মঙ্গলবার কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সেই সুর আরও চড়িয়ে অনুপ্রবেশকারীদের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, “জলদি জলদি ভাগো…।”
মঙ্গলবার সকালে হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে ট্রলি, লোটা-কম্বল নিয়ে ভিড় করেছেন বহু অবৈধ অভিবাসী। প্লাস্টিক পেতে বসে রয়েছেন জটলা করে। অপেক্ষা, কখন ডাক আসবে সীমান্ত পার করার জন্য। সোমবারও চেকপোস্টের কাছে ছাউনিতে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় ১০০ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। বাইরে অপেক্ষা করছিলেন আরও ৩০-৪০ জন। সম্প্রতি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের নতুন সরকার। ওই ঘোষণা হতেই এ বার ফের বাংলাদেশে ফেরার জন্য ব্যস্ততা শুরু হয়েছে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, তৎকালীন শাসকদল তখনও বার বার দাবি করেছিল, কোনও অনুপ্রবেশকারী নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধারাবাহিক ভাবে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে গিয়েছিল তৃণমূল। তৎকালীন বিরোধী এবং বর্তমানে শাসক দল বিজেপির একাংশের দাবি ছিল, ওই অবস্থানের ফলে অনেকে ‘আশ্বস্ত’ হয়েছিলেন। তার জেরেই অবৈধবাসীদের বাংলাদেশে ফেরার স্রোত বন্ধ হয়েছিল বলে মনে করেন পদ্ম শিবিরের একাংশ।