ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূলের মূল ছিঁড়ে যাওয়ার পর দলের অন্দরেই তৈরি হয়েছে একাধিক বিদ্রোহী। একের পর নেতা দল ছেড়ে চলছেন। এবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি জানান, প্রথম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হতেন তাহলে দলের আজকে এই অবস্থা হত না। যদিও সেই পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন এই মতামত তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত।
সেই দীর্ঘ পোস্টে তিনি তৃণমূলের একাধিক নেতাকে নাম না করে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন অনেকেই দল ছাড়ার সিধান্ত নিয়েছেন কিন্তু তারপরও দলের সমস্ত পদ থেক ইস্তফা দেননি। তাদের উচিৎ দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেওয়া। এমনকি তিনি বলেন রাজনৈতিক ভাবে তাদের সকলকে সরে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এরপর তিনি নাম না করে একাধিক একদা তাঁর রাজনৈতিক সতীর্থ দের কটাক্ষ করে বলেন, প্রথম থেকেই যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হতেন তাহলে আজ দলের এই অবস্থা হত না। পোস্টে তিনি আরও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে লেখেন, সেই সময়ের বহু বিতর্কিত ব্যক্তি এখন তথাকথিত ‘৬০’-এর অংশ হয়ে গিয়েছেন। যদিও ‘৬০’ বলতে তিনি কাদের বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি। পাশাপাশি দাবি করেন, সেই সময়ের কেউ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন, আবার কেউ কারাগারেও গিয়েছেন। পোস্টের শেষের দিকে তিনি বলেন, ‘একজন ব্যক্তি তাঁকে সবচেয়ে বেশি বিস্মিত করেছেন। তাঁর ভাষায়, তিনি কখনও ভাবেননি যে ‘একজন সাপ মানুষের ছদ্মবেশে’ তাঁদের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এই মন্তব্য কাকে উদ্দেশ্য করে করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়, এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে এখন জোর জল্পনা। একই সঙ্গে নিজের আগের দল অর্থাৎ বিজেপিকে সতর্ক করেছেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপির আগের ভুল থেকে নিজেদের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ। একইদিকে তাঁর এই পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর তরজা।