ওঙ্কার ডেস্কঃ তাসের ঘরের মতো ভাঙছে তৃণমূল। রাজ্যসভায় ফের ভাঙন। সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেবের পর এবার ইস্তফা প্রকাশচিক বরাইকের। বৃহস্পতিবারই নিজের ইস্তফাপত্র রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের ওই নেতা। ফলে রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ১৩ থেকে কমে দাঁড়াল ১০-এ। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহে আরও এক তৃণমূল সাংসদ ইস্তফা দিতে পারেন।
শুধু রাজ্যসভার সাংসদ পদ নয়, তৃণমূল থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন প্রকাশচিক বরাইক। বৃহস্পতিবার ইস্তফা দিয়ে তিনি জানান, “আগামী দিনে রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যা নির্দেশ দেবেন, সেইমতো কাজ করব।” তবে কি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সরাসরি উত্তর না দিয়েও আলিপুরদুয়ারের ওই আদিবাসী বলছেন, “আগামী দিনে কী হবে সেটা সময় বলবে।”
ইতিমধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের পরিষদীয় দল মমতা-অভিষেকের থেকে দূরত্ব তৈরি করেছে। সেই ব্লকে বিধায়কসংখ্যা এখন ৬৪ জন বলে দাবি। লোকসভাতেও একই ধাঁচে তৈরি হয়েছে নতুন তৃণমূল। সংসদের নিম্নকক্ষে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে একজোট হয়ে এনডিএ-তে শামিল হওয়ার চিঠি দিয়েছেন প্রায় জনা ২০ তৃণমূল সাংসদ।
একই ধাঁচে ভাঙন শুরু হয়েছে রাজ্যসভাতেও। যদিও এখানে ভাঙনের মডেল আলাদা। রাজ্যসভায় একযোগে বিধানসভা বা লোকসভার মতো ভাঙন হচ্ছে না। কারণ সংসদের উচ্চকক্ষে একসঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদ একজোট করাটা মুশকিল। তাই বিকল্প পন্থা নিচ্ছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। একে একে ইস্তফা দিচ্ছেন তাঁরা।