ওঙ্কার ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে ভোটাধিকার প্রয়োগে ছাড়পত্র আগেই পেয়েছিলেন চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি সস্ত্রীক সুপ্রবুদ্ধ সেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোট দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বুথ থেকে ফেরত পাঠান। যার ফলে ভোট দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল তাঁদের। তবে অবশেষে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে জট কাটল। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় তাঁরা ভোট দেবেন বলে সূত্রের খবর।
বৃহস্পতিবার ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বুথে যাওয়ার পর সুপ্রবুদ্ধ এবং তাঁর স্ত্রী দীপাকে বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকায় দু’জনের নাম নেই। এটি শোনার পর তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কপি দেখান। কিন্তু তার পরে তাঁদেরকে বলা হয়, সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু অশক্ত শরীর নিয়ে সেই ঝুঁকি নিতে চাননি বৃদ্ধ দম্পতি। ভোট না-দিয়েই তাঁরা ফিরে যান। উল্লেখ্য, ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া শুরুর পর তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন শিল্পী নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ এবং তাঁর স্ত্রী দীপা। এর পর ট্রাইবুনালে নাম তোলার জন্য আবেদন জানান তাঁরা।
চলতি মাসের প্রথম দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানায়, নন্দলাল বসুর নাতির আবেদনের প্রেক্ষিতে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। এসআইআর পর্বে ওই দম্পতিকে শুনানিতে ডাকার পর সেখানে গিয়ে যাবতীয় নথি জমা দিয়েছিলেন। পরে কমিশনের তরফে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়, সেখানে সুপ্রবুদ্ধদের নাম রয়েছে বিচারাধীন তালিকায়। তার পর সর্বোচ্চ আদালতে গেলে বিচারপতি ট্রাইবুনালকে নির্দেশ দেন, প্রবুদ্ধদের আবেদনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার। পরে ট্রাইবুনালের নির্দেশে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় ওঠে। তার পরেও ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয় তাঁদেরকে। অবশেষে কমিশনের হস্তক্ষেপে সুরাহা হল।