ওঙ্কার ডেস্ক:- ট্রাইব্যুনালে দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মত কাজ করা হচ্ছে না এমনই অভিযোগ তুলে সোমবার ফের শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর অভিযোগ, ট্রাইবুনালে আবেদন প্রক্রিয়ায় অযথা দেরি করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট যে ভাবে বলেছিল, সেই নিয়মমাফিক ট্রাইবুনাল কাজ করছে না। এসআইআর নাম বাদ যাওয়া সমস্ত ব্যাক্তিদের অফলাইনে ফর্ম জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু বর্তমানে শুধুমাত্র অনলাইনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়া আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নের মুখে পড়ে, কারণ যথাযথ শুনানি বা বিশদ পর্যালোচনার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে কম্পিউটার নির্ভর পদ্ধতিতে আবেদন যাচাই করা হচ্ছে। এর ফলে নির্ভুল নাম তোলার কাজ হচ্ছে না। পরবর্তী তে আবেদনকারীরা সমস্যায় পরতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এই মামলায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী-র ডিভিশন বেঞ্চ। তাদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলা নিয়ে প্রায়ই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। আদালত পূর্বেই নির্দেশ জারি করেছে। তা সত্ত্বেও কেন প্রায় প্রতি দিন আদালতে নতুন করে আবেদন করা হচ্ছে তা জানতে চান তিনি। দেশের শীর্ষ আদালত হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এ তথ্যগত অসঙ্গতির বিবেচনা এবং সমস্ত সমস্যার নিষ্পত্তির দায়িত্ব দিয়েছিল, সেই মত হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় আধিকারিকদের নিয়োগ করেছিল। ইতিমধ্যে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষাধিক নামের নিষ্পত্তি করে ফেলেছেন বিচারকেরা। তবে সেখান থেকে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা ট্রাইবুনালে নতুন করে আবেদন করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ভোটগ্রহণের দু’দিন আগে পর্যন্ত যে নামগুলিকে ট্রাইবুনাল ছাড়পত্র দেবে, তাঁরাও ভোট দিতে পারবেন। উল্লেখ্য, এর আগে ফর্ম-৬ জমা নেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। শাসক দল তৃণমূলের দাবি, সিইও দফতরে বান্ডিল বান্ডিল ফর্ম-৬ জমা দিয়েছে বিজেপি। এই নিয়ে গত ৩০ মার্চ সিইও দফতরে অভিযোগ জানাতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফর্ম-৬ জমার বিষয়টি স্বীকারও করে নেয় কমিশন। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসছে রাজ্যে এগিয়ে আসছে ভোট, অনেকেই আছেন যাদের নাম সংশোধিত তালিকায় তুলতে পারেননি, তারা কিভাবে ভোটদান করবেন যা রীতিমত উদ্বেগের।