নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ভোররাতে মেয়ের সামনেই স্বামীর গলায় একের পর এক কুড়ুলের কোপ মেরে খুনের অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার ভোরে, বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল চক্রবর্তীর সঙ্গে একই থানার মনোহর গ্রামের ঝুমার বিয়ে হয়। তাঁদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই ভাইদের থেকে আলাদা হওয়ার জন্য স্বামীকে চাপ দিতেন ঝুমা। সেই নিয়ে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত।
এমতাবস্থায় গতকাল ভোরে আচমকা ভারী কিছু পড়ার শব্দ পান একই বাড়িতে থাকা উজ্জ্বলের দাদা সনৎ চক্রবর্তী। প্রথমে বাড়ি ভেঙে পড়ছে ভেবে তিনি ছুটে ভাইয়ের ঘরে ঢোকার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, তখনই কুড়ুল হাতে তাঁর দিকে তেড়ে আসেন ভ্রাতৃবধূ ঝুমা। বাধা দিতে গেলে সনতের হাতেও কুড়ুলের কোপ মারেন তিনি।
পরে খবর পেয়ে বড়জোড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘর থেকে উজ্জ্বলের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের গলায় কুড়ুলের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সনৎবাবুর দাবি, দাম্পত্য অশান্তির জেরেই ভ্রাতৃবধূ তাঁর ভাইকে কুপিয়ে খুন করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ঝুমা চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।