ওঙ্কার ডেস্ক: ভোর থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কামালগাজি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তদন্তকারীদের নজরে ব্যবসায়ী শ্যামল ব্যাপারী। অভিযোগ, চালের ব্যবসার আড়ালে ইন্টারনেট ব্যবহার করে হাওয়ালার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন চালাতেন তিনি। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই তাঁর সন্ধানে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
এই ঘটনায় কিছুদিন আগে গুয়াহাটিতে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার সূত্র ধরে কলকাতার লেকটাউনে প্রথমে অভিযান চালান ইডির আধিকারিকরা। তবে সেখানে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তদন্তে কামালগাজিতে ওই ব্যবসায়ীর একটি অফিসের সন্ধান মেলে। রাজ্যের আরও কয়েকটি জায়গায় তাঁর ব্যবসায়িক যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানতে পারেন তদন্তকারীরা। বুধবার সকালে কামালগাজির ওই অফিস-সহ মোট চারটি জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি ঘিরে ফেলেন ইডির আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত শ্যামল ব্যাপারীর সন্ধান মেলেনি। তাঁর খোঁজ চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন নথিপত্রও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। কামালগাজিতে তাঁর মূল অফিসের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এদিকে, প্রতিবেশীদের কাছে বিষয়টি যথেষ্ট বিস্ময়ের। শ্যামল ব্যাপারীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠতে পারে, তা ভেবে হতবাক তাঁরা। তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামলের মূল ব্যবসা চাল আমদানি ও রফতানি। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও চালের কারবার রয়েছে তাঁর। তবে এই ব্যবসার বাইরেও সাইবার অপরাধের সঙ্গে তাঁর যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে। ইডির দাবি, হাওয়ালার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছে বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছে।