ওঙ্কার ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের বাইক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কড়া মন্তব্য করল হাইকোর্ট। কমিশনের বাইক বিধি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করে আদালত বলেছে, নির্বাচন পরিচালক সংস্থা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। নাগরিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে কমিশনের বাইক বিধি সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। এদিন বিচারপতি কমিশনকে বলেন, ‘আপনারা নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। নাগরিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে।’ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণের পর কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী শুক্রবার তারা আদালতে হলফনামা জমা দেবে। কমিশনের তরফে সেই হলফনামায় জানানো হবে, কেন বাইকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিগত দিনে বাইক নিয়ে যে খারাপ ঘটনা ঘটেছে তাও আদালতে জানাতে পারে কমিশন। এদিন বিচারপতি রাও বলেন, ‘এই ভাবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না। তা হলে গাড়িও বন্ধ করে দিন। তাতেও তো লোকজন বোমা-বন্দুক নিয়ে গিয়ে গোলমাল পাকাতে পারে!’ সেই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে বাইক বাহিনী কতগুলি অশান্তির ঘটনায় জড়িত ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, ভোটের দু’দিন আগে থেকে বাইক মিছিল করা যাবে না। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভোটের দু’দিন আগে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো গেলেও পিছনে কাউকে বসানো যাবে না। এ ছাড়া বলা হয়েছে, ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বেরোনো যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে বেরোলে বা জরুরি কোনও কাজে গেলে তবেই ছাড় মিলবে।