নিজস্ব সংবাদদাতা : দুর্যোগ কবলিত উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখতে সোমবার ফের শিলিগুড়ি রওনা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দমদম বিমানবন্দর থেকে বাগডোগরায় পৌঁছুবেন তিনি। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক ভবন উত্তরকন্যায়।
বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের উন্নতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী যে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট তাঁর এই তৃতীয়বারের সফর সেই বার্তাই বহন করছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পুজোর পর ভয়াবহ দুর্যোগে যে বিপুল বিপর্যয় নেমে এসেছিল উত্তরবঙ্গে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সবরকম চেষ্টা চলছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। তাই কলকাতায় পুজো কার্নিভালের পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে গিয়ে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য তদারকি করেছিলেন। কিছুদিন পর ফের উত্তরবঙ্গ গিয়েছিলেন মমতা। এবার তাঁর তৃতীয় সফর। সোমবার ফের উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তিনি সোজা যাবেন উত্তরকন্যায়। সেখানে তিনি বন্যা ও ধসের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ও জনসাধারণের পুনর্বাসনের কতটা উন্নতি হয়ে খতিয়ে দেখবেন তিনি। তার জন্য উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক অধিকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
জানা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্থ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারের প্রশাসনিক আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের এই বৈঠকে হাজির থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।র) বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেই সমস্ত জেলার প্রশাসনিক কর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে তাই রবিবারও ভীষণ ব্যস্ততা দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক মহলে।
বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর আরও কিছু কর্মসূচি রয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে রাজ্য জুড়ে প্রায় ১২ হাজারের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন বাড়ি তৈরির সহায়তা দেওয়া ব্যাপারে আলোচনা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পিছু ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা আপাতত সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ এলাকায় যে নতুন শিল্প প্লান্ট গড়ে উঠতে চলেছে তার উদ্বোধন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
