ওঙ্কার ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবরা। কিন্তু নির্বাচনের ফল বেরোতে দেখা যায় ম্যাজিক সংখ্যা ছুঁতে পারেনি ইন্ডিয়া জোট। কংগ্রেসের নেতৃত্বে জোট করে লড়াই করেও সাফল্য না মেলায় তাই হাত শিবিরের উপর ক্ষুব্ধ অন্যান্য শরিক দলগুলি। সূত্রের খবর, একাধিক দল ইন্ডিয়া জোট ছাড়ার পরিকল্পনা করছে।
ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা মনে করছে, কংগ্রেস নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। কোথাও কোথাও আঞ্চলিক দলগুলিকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজেরা একতরফা ভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ফলে জোটে থেকেও তাঁরা ‘বঞ্চিত’ হচ্ছেন। বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে কংগ্রেস নিজে জায়গা শক্ত করতে পারছে না, অন্য শরিকদেরও পরাজয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে, এমনটাই অভিযোগ শরিকদের একাংশের। উল্লেখ্য, বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের দাবি মতো আসন না দেওয়ায় একলা লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। বিহারে জোটের নেতারা হেমন্ত সোরেনের দলের জন্য কোনও আসন ছাড়েনি। জেএমএম এর অভিযোগ, ইন্ডিয়া জোট আঞ্চলিক শক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।
সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ইন্ডিয়া জোট থেকে বেরিয়ে স্বাধীনভাবে চলার কথা ভাবছে। যদিও এ ক্ষেত্রে এই দলটির মাথাব্যথারও জায়গা রয়েছে। কারণ ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়েছে জেএমএম। ফলে অসন্তোষ থাকলেও তড়িঘড়ি ইন্ডিয়া জোট ছাড়তে পারবেন কিনা হেমন্ত তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইন্ডিয়া জোটে থাকবে কিনা তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে শিব সেনার উদ্ধব গোষ্ঠীও। এই দলের বক্তব্য, কংগ্রেসের রাজ্য স্তরের নেতারা কোনও আলোচনা বা সমঝোতা না করে এক তরফা ভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে বিহারে পরাজয়ের পর হাত শিবির শরিকদের প্রশ্নে বিদ্ধ হতে শুরু করেছে।