ওঙ্কার ডেস্কঃ মোদী জমানার প্রথম আদমশুমারি। সেনসাসের প্রথম দফার কাজ শুরু হচ্ছে বুধবার অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে। এবার সেনসাস ডিজিটাল পদ্ধতিতে চালানো হচ্ছে। তাই জনগণনার অধিকাংশ তথ্য-পরিসংখ্যানই ২০২৭-এ প্রকাশ করা হবে বলে জানালেন রেজিস্ট্রার জেনারেল ও দেশের সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণ। যদিও জাত সমীক্ষার পদ্ধতি-প্রকরণ চূড়ান্ত হওয়া বাকি বলে জানিয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, সরকার প্রথম দফার জন্য ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা বানিয়েছে। বাড়ির নম্বর, সেনসাস হাউস নম্বর, বাড়ির মেঝে, দেওয়াল, ছাদে কী কী সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, সেই তথ্য নেবেন গণনাকারীরা। বাড়ির মোট সদস্য সংখ্যা, গৃহকর্তার নাম, লিঙ্গ, তিনি তফসিলি জাতি বা উপজাতি বা অন্য সম্প্রদায়ের কি না, বাড়ির ঘরের সংখ্যা, বাড়ির মালিকানা, বিবাহিত সদস্য সংখ্যা–সবই সংগ্রহ করা হবে।
সূত্রের খবর, ২০১১-র জনগণনা অনুসারে দেশে যত গ্রাম ছিল, তার চেয়ে হাজারের বেশি সংখ্যায় কমেছে। বেড়েছে নাগরিক বসতি। ২০১১-র সেনসাসের চেয়ে রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সংখ্যায় ১টি বেড়ে হয়েছে ৩৬। জেলার সংখ্যা ১৪৪টি বেড়ে ৬৪০ থেকে হয়েছে ৭৮৪। উপজেলা সংখ্যা বেড়েছে ১১০২টি। ছিল ৫৯৯০। ২০২৬-এ হয়েছে ৭০৯২। সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণ জানান, দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গই সেনসাস প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জনগণনার কাজ চালানোর সময় পাবে তারা।
সেনসাস কমিশনার জানান, ডিজিটাল সাক্ষরতা বেড়েছে বলে আমরা নিজে থেকে গণনা বা সেলফ এনুমারেশনে উত্সাহ দিচ্ছে। মোবাইল, ল্যাপটপে লোকজন নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। যত এই পদ্ধতির ব্যবহার হয়, ততই ভালো। কিন্তু এবার প্রক্রিয়াটা চলবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। তাই অধিকাংশ তথ্য পরিসংখ্যানই প্রকাশ করা হবে ২০২৭-এ। জনগণনার দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হবে ২০২৭-এর ফেব্রুয়ারি।