ওঙ্কার ডেস্ক: গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে চালু হয়েছে অভিবাসী ও বিদেশি বিষয়ক নয়া আইন। এই আইন অনুসারে বিদেশি সন্দেহ হলে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখা হবে। আর সেই কারণে দেশের সব রাজ্যকে আটক কেন্দ্র বা ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার। গোটা বিষয়টিকে সাহসী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘যেভাবে অবৈধ ভাবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলি থেকে ভারতে লোকজন ঢুকেছে তাদের বের করার প্রয়োজন রয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদেরকে চিহ্নিত করার পর তাদের আলাদা করে রাখতেই হবে। পরে কথা বলে ফেরত পাঠাতে হবে।’ বিজেপি নেতার আরও সংযোজন, ‘বিশ্বের কোনও দেশ বিদেশিদের এইভাবে থাকতে দেয় না, আমরাও দেব না।’ উল্লেখ্য, এতদিন অসমে ডিটেনশন ক্যাম্পে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে রাখা হত। তবে বর্তমানে অভিবাসী ও বিদেশি বিষয়ক আইন চালু হওয়ায় সব রাজ্যকেই এই ক্যাম্প চালু করার কথা বলল কেন্দ্রীয় সরকার।
ইতিমধ্যে মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছে মানবাধিকার সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। মানবাধিকার কর্মী রঞ্জিত শূর বিষয়টি বলেন, ‘এটি সংবিধান বিরোধী। ভারতের সংবিধানের যে মূল বক্তব্য, সেটি হচ্ছে বিনা বিচারে কাউকে আটক করে রাখা যায় না।’ বিরোধীদের অভিযোগ, বিহার এবং বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। তবে দিলীপের মতে, ‘এর আগে কোনও সরকার এই কাজ করার সাহস করেনি। বরং তাদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড দিয়ে ভারতীয় বানিয়ে রাজনীতি করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী সরকারের কাছে যেহেতু ইন্ডিয়া ফার্স্ট, তাই দেশের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
