সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের রহস্যমৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। হইচই পড়েছিল বলিউডে। সেই ঘটনার দীর্ঘ কয়েক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও রহস্যমৃত্যুর কিনারা করা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে তদন্তের জট খুলতে আসরে নামছেন সিবিআইয়ের দাপুটে অফিসার সীমা পাহুজা। একসময় যাঁর কাঁধেই ছিল আরজি কর, হাথরাসের মত একাধিক স্পর্শকাতর মামলা।
২০২০ সালের ৮ জুন, মুম্বইয়ের মালাডে একটি বহুতল থেকে পড়ে মৃত্যু হয় দিশা সালিয়ানের। ফ্ল্যাটটি ছিল তাঁর বাগদত্ত রোহন রাইয়ের। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন তিনি। তদন্তে জানা যায়, ওইদিন রাতে একটি ছোট জমায়েতের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন একাধিক অতিথি। এমতাবস্থায় ওই রাতে সেখানে ঠিক কী কী হয়েছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। আর এই গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে সীমা পাহুজার নেতৃত্বে।
সাম্প্রতিক অতীতে একাধিক হাই-প্রোফাইল মামলার তদন্ত করেছেন সীমা। সূক্ষ্ম ফরেন্সিক বিশ্লেষণ ও তীক্ষ্ণ তদন্ত পদ্ধতির জন্য সিবিআইয়ের অন্দরে তাঁর বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। ২০২৪ সালের কলকাতার আরজি কর হাসপাতাল ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা থেকে শুরু করে ২০২০ সালের হাথরাস কাণ্ড— সর্বত্রই তদন্তের সামনের সারিতে ছিলেন তিনি। এছাড়াও ২০১৭ সালে উন্নাও ধর্ষণ মামলার তদন্তভারও ছিল তাঁর কাঁধে। এই পরিস্থিতিতে অতীতের সুনাম অখ্যাত রেখে দিশা সালিয়ানের মৃত্যুরহস্যের দ্রুত পর্দাফাঁস করাই এখন আসল চ্যালেঞ্জ সীমার কাছে।