ওঙ্কার ডেস্ক: ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকে প্লুটোর মৃত্যু যেন মেনে নিতে পারছেন না দর্শক। হঠাৎই বিয়ের দিন তার আত্মহত্যা যেন বিঁধছে দর্শকের মনে। মুখ ফুটে নিজের মনের কথা বলতে পারেনি প্লুটো। এই পরিণতি কারণ তবে তার না বলতে পারা কথা। সম্প্রতি দর্শকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হাজির হয়েছিলেন চিরসখা টিম। সেখানেও উঠে এসেছে প্লুটোর মৃত্যু নিয়ে নানা তথ্য। কিন্তু এখনও দর্শকদের মনে ঘুরছে একটাই প্রশ্ন এই মৃত্যু ছাড়া কি গল্প এগোতে পারত না? কেন এমন গল্প সাজালেন লেখিকা?
দর্শকের এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন ‘চিরসখা’ টিম। প্লুটোর মৃত্যু যেন বাবা-মায়েদের মনে নাড়া দিয়ে গেল। দর্শকদের প্রশ্নের উত্তরে নৃত্যশিল্পী মালবিকা সেন বলেন, “অনন্যা নিজের মতো করে ছেলেকে বড় করার চেষ্টা করেছে। ছোট থেকে একা হাতে মানুষ করেছে সে প্লুটোকে। স্কুলে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে সাঁতারের ক্লাসে নিয়ে যাওয়া, পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করানো, সবটাই অনন্যা করেছে। তখন কিন্তু প্লুটোর বাবা কিংবা কাকা এই দায়িত্বগুলো নেননি।” মালবিকার কথায়, “অনন্যা চেয়েছিল, ছেলেকে নিজের মতো করে গড়ে তুলতে। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে ছেলের ভবিষ্যৎ গড়তে। একজন মায়ের একমাত্র সন্তান বিয়োগ যে কতটা কষ্টের সেটা অনন্যা আগে তো বোঝেনি, বোঝার কথাও নয়।”
প্লুটোর মৃত্যুকে ঘিরে তোলপাড় হয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যম। ‘প্লুটো’র চরিত্রে দর্শক দেখেছেন অভিনেতা পার্থ বেরাকে। এতদিন প্লুটো ও মিঠির প্রেম নিয়ে তেমন চর্চা না হলেও তাদের অসমাপ্ত প্রেম নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে। অনেক নেটিজেন ভেবেছিলেন হয়তো গল্পের টুইস্টে প্লুটোকে আবারও বাঁচিয়ে তুলবেন লীনা। তবে প্লুটোর শেষযাত্রার সঙ্গী হয়ে রয়ে গেলেন সিরিয়ালপ্রেমীরা।
এক্ষেত্রে বলাই বাহুল্য প্লুটোর মৃত্যুতে বেশ খানিকটা টিআরপিও বেড়েছে ‘চিরসখা’র। হঠাৎ এমন একটা প্লট যে গল্পে আসতে পারে তা যেন ভেবে উঠতেই পারেননি দর্শক। তাই জনপ্রিয়তা অনেক গুণ বেড়েছে পার্থর। এই ধারাবাহিকের গল্পে এতদিন মিঠি ও মৌ-এর চরিত্রকে যেমনভাবে দেখেছেন দর্শক। এই মোড়ের পর যেন সব হিসেবে বদলে গিয়েছে দর্শকের। বর্তমানে প্লুটোর মৃত্যু যেন সকল দর্শককেই গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে।
