ওঙ্কার ডেস্ক: রবিবার থেকেই অনির্বাণ ভট্টাচার্যর ব্যান্ডের গানে তোলপাড় নেটভুবন! ‘নরেন্দ্র মোদির পেনশন-টেনশন’ থেকে শুরু করে হিন্দু রাষ্ট্র, ‘তিন ঘোষ’কে একসূত্রে গেঁথে মঞ্চে যেভাবে কণ্ঠ ছেড়েছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত নিয়েই বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচইয়ের অন্ত নেই। অনির্বাণের পলিটিক্যাল স্যাটায়ার মূলক গানে বিতর্কও তুঙ্গে! যদিও এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং বামনেতা শতরূপ ঘোষ এই গানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তবে এবার আপত্তি তুলে অনির্বাণ এবং তাঁর ‘হুলিগানিজম’ টিমকে ক্ষমা চাওয়ার কথা বললেন রুদ্রনীল ঘোষ।
রাজনীতির বহুলচর্চিত বিষয়গুলিকে নিয়ে সহকর্মী অনির্বাণ ভট্টাচার্য হাস্যরসের মোড়কে যে গান বেঁধেছেন, তা নিয়ে রুদ্রনীল ঘোষের কোনও আপত্তি নেই! তবে আপত্তির কারণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে সনাতন ধর্ম নিয়ে অনির্বাণের ‘হুলিগানইজম’-এ। ক্ষোভে ফুঁসে রুদ্রনীল এক দীর্ঘ পোস্ট করেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন, ‘বন্ধুবর অনির্বাণ ভট্টাচার্য তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আপনার এই অসচেতন, জ্ঞানহীন বক্তব্যের। আপনি মঞ্চে বললেন- ‘সনাতন এসে গেছে? আর সনাতনী? ভাই, অনির্বাণ পৃথিবীর চূড়ান্ত মুর্খ ব্যক্তিও জানেন, সনাতন ধর্ম পৃথিবীর আদিতম ধর্ম বা জীবনচর্যা। তারপর বাকি ধর্মগুলির জন্ম। আর আপনি বললেন, ‘সনাতন ভারতে পৌঁছতে হলে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে!’ আপনি সজ্ঞানে বললেন এই কথা?’
অনির্বাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে রুদ্রনীল ঘোষের মন্তব্য করেছেন, ‘অন্য কোনও ধর্ম সম্পর্কে এই ধরনের উক্তি করলে তারা এতক্ষণে আপনাকে কি বলতেন তা নিশ্চয়ই জানেন! অকারণ ছোট করছেন নিজের ধর্মকে? সনাতন ও সনাতনীকে? ভাই অনির্বাণ, যদি সত্যই নিজের অজ্ঞানতা থেকে এই বক্তব্য রেখে থাকেন, তাহলে জানান। দেখবেন সকলে আপনাকে ক্ষমা করবেন। আর যদি সজ্ঞানে এই ধরণের মন্তব্য করে থাকেন, তাহলে ক্ষমা চেয়ে নিন। রুদ্রনীলের এহেন পোস্টের পরই আবার একাংশের মন্তব্যও করেছেন, ‘মঞ্চে তিন ঘোষের নামে আপনার নাম নেননি বলে গোঁসা হয়েছে নাকি?’ যদিও অনির্বাণ ভট্টাচার্য রুদ্রনীলের পোস্টের উত্তরে কোনও কিছুই জানান নি এখনও পর্যন্ত!
