ওঙ্কার ডেস্ক: এবার পোশাক নিয়ে বিতর্কে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য। বাংলা ধারাবাহিকের অন্যতম পরিচিত মুখ তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বাংলা ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্বেতা। ২০০৮ সালে ‘সিঁদুরখেলা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পথ চলা শুরু। এর পর থেকে একের পর এক সাফল্য পেয়েছেন। শ্বেতার প্রায় সব ধারাবাহিকই টিআরপি তালিকায় প্রথমে থেকেছে সবসময়। মাঝে দেবের বিপরীতে ‘প্রজাপতি’ ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে কাজের ক্ষেত্রে অভিনেত্রী একটি শর্ত দেন সবসময়। সেটি হল, পর্দায় কখনই হাতকাটা বা হাতকাটা জামা কিংবা ছোট পোশাক পরবেন না। প্রথম থেকেই নিজের এই সিদ্ধান্তে অনড় থেকেছেন তিনি। সে কারণে অনেকেই তাঁকে দক্ষিণী অভিনেত্রী সাই পল্লবীর সঙ্গে তুলনা করেন। কেউ আবার শ্বেতার পোশাক-শর্ত নিয়ে কটাক্ষও করেছেন। গত কয়েকদিন ধরে তাঁকে নিয়ে চলতে থাকা বিতর্কের এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী। বিতর্কের সূত্রপাত একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে গিয়ে অভিনেত্রী শ্বেতা বলেন, ‘‘আমি কখনও হাতাকাটা ব্লাউজ় পরব না, কখনও ছোট জামা পরব না। কারণ আমি শরীর বেচে রোজগার করতে আসিনি। বরং প্রতিভা বিক্রি করতে এসেছি।’’ শ্বেতার এই মন্তব্য ঘিরে সমাজমাধ্যমে হই চই শুরু হয়। টেলিপাড়ার বেশ কিছু অভিনেত্রী শ্বেতার নাম না নিয়ে নানা ধরনের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন।
এর মাঝেই অবশ্য শ্বেতার অনুরাগীরা তাঁকে দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। কারণ, সাই পল্লবী পর্দায় হাতকাটা ব্লাউজ় পরেন না, স্বল্প পোশাক পরেও কখনও দেখা যায়নি তাঁকে। যে কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে কেবলমাত্র শাড়ি পরেই। এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘‘আমি সত্যিই সাই পল্লবীকে চিনি না। ওঁর কোনও ছবিও দেখিনি। রুবেল সদ্য ছবি দেখাল ওঁর। তবে আমি আজ নয়, বরাবর বলেছি হাতকাটা ব্লাউজ পরব না, ছোট জামা পরব না। কারণ, ওটা আমাকে মানায় না।
তবে শ্বেতা স্পষ্ট করে জানান, তিনি অন্য কারও পোশাক পরার উপর কোনও নীতি-পুলিশি করতে চান না। বরং তিনি তাঁর ধারাবাহিকের সহ অভিনেত্রী মিশমি দাস যে ধরনের আধুনিক পোশাক পরেন, তার প্রশংসা করেছেন। শ্বেতার কথায়, ‘‘কে কী পরবে সেটা আমি কেন বলে দেব? আমি পরিবার সংসার নিয়ে থাকতে ভালবাসি। এই তো মিশমি কী সুন্দর সব পোশাক পরে! ওকে মানায়, চমৎকার লাগে দেখতে। আমাকে সেই ধরনের পোশাক মানায় না, তাই পরি না।
