ওঙ্কার ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। এই আবহে পুর বোর্ড কেন ভেঙে দেওয়া হবে না, সেই কারণ জানতে চেয়ে পুরসভার কাছে জবাব চাইল রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক। ইতিমধ্যে নোটিস জারি করা হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে পুরসভাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নোটিস দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার কমিশনার, পুরসচিব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের।
রাজ্য সরকারের তরফে যে নোটিস পুরসভাকে পাঠানো হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে মেয়র পদত্যাগ করেছেন এর ফলে পুরসভার স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে। নাগরিকদের পরিষেবা দেওয়ায় ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হতে পারে। সংবিধান এবং ১৯৮০ সালের কলকাতা পুরসভা আইন অনুসারে, পুরসভার উপরে যে দায়িত্ব রয়েছে, তা কার্যকর করতে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘রাজ্য সরকার পুরসভাকে বলতে পারে, তারা কাজ করছে না। কী করতে চাইছে, জিজ্ঞেস করতে পারে। পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়ার এক্তিয়ার রাজ্য সরকারের নেই। মেয়র না-থাকার পরের পরিস্থিতিতে এটুকুই করতে পারে।’
উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর একে একে বিভিন্ন জায়গায় নেতারা সরব হতে শুরু করেছেন। সম্মান বাঁচাতে নিজে থেকেই ইস্তফা দেওয়ায় ইচ্ছে প্রকাশ করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূল নেত্রীর সম্মতি পাওয়ার পর অবশেষে শুক্রবার কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ। যদিও তাঁর জায়গায় অন্য কাউকে মেয়র হিসাবে বসায়নি তৃণমূল। কোনও আবেদনও জোড়াফুল শিবিরের তরফে করা হয়নি।