ওঙ্কার ডেস্ক: প্রণয়ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল ১৮ বছর বয়সী মেয়ে। আর সেই বিষয়ে সামাজিক কলঙ্কের ভয়ে তাঁকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে ৫২ বছর বয়সী ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার এক আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই তরুণীকে আগ্রার চম্বল নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে। দেহ উদ্ধার করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩১ জুলাই তিগ্রি থানায় একটি কল আসে। যেখানে অভিযোগ করা হয় বাবার হাতেই এক তরুণী খুন হয়েছেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ও তার এক আত্মীয় চিকিৎসা করানোর অজুহাতে মেয়েটিকে আগ্রায় নিয়ে যান। সেখানে বাসোনির কাছে চম্বল নদীতে তাকে ডুবিয়ে হত্যা করেন। বাড়ি ফিরে মূল অভিযুক্ত প্রতিবেশীদের জানান, তার মেয়ে আগ্রায় মারা গেছে। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টিতে সন্দেহ হয় এক প্রতিবেশীর। তিনি থানায় ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। এর পরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। প্রথমে তরুণীর বাবা পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ভেঙে পড়ে তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করে নেন। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সামাজিক অপবাদের ভয়ে ওই ব্যক্তি আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে মেয়েকে সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র করেন।
সূত্রের খবর, ২৮ জুলাই অভিযুক্তরা মেয়েটিকে আগ্রায় নিয়ে যান। সেখানে এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাত কাটান। এর পর, তারা তাকে চম্বল নদীর কাছে নিয়ে গিয়ে সেখানে ডুবিয়ে হত্যা করেন। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (দক্ষিণ) অনন্ত মিত্তল এ বিষয়ে বলেন, ‘তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত বাবা সামাজিক অপবাদের ভয়ে তার আত্মীয়ের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে মেয়েটিকে উত্তরপ্রদেশের আগ্রার বাসোনির কাছে চম্বল নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করেছেন।’ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মৃতদেহটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।