ওঙ্কার ডেস্ক: ক্ষমতায় এসেই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসন তিলজলায় বেআইনি বহুতল ভাঙার কাজও শুরু করেছিল। কিন্তু সেই নোটিসের উপর কলকাতা হাইকোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। যার ফলে এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিলেন, কোনও বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার আগে সংশ্লিষ্ট পরিবার ও বাসিন্দাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার আলিপুরে বরো-৯ এলাকার আধিকারিকদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই নিয়ম না মেনে বেআইনি বহুতল ভাঙা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের বিষয়টি নিয়েই প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। বেআইনি বাড়ি ভাঙা নিয়ে বিরোধীদের অভিযো, খুব কম সময়ের নোটিসে ভাঙার কাজ শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। এই বিষয়ে বিল্ডিং বিভাগের ডিজি উজ্জ্বল সরকারের কাছেও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে সরকার। এমনকি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে কোনও আপত্তি নেই। তবে তা আইন মাফিক হতে হবে। কোনও পরিবারকে হঠাৎ উচ্ছেদের মুখে ফেলে দেওয়া যাবে না।
উল্লেখ্য, ১২ মে তপসিয়ার একটি বহুতলের দোতলায় চামড়ার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল। দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল দু’জনের। গুরুতর জখম হয়েছিলেন তিন জন। ওই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। যদিও গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা দত্ত পাল নির্দেশ দিয়েছেন ওই বাড়ি ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে মামলাকারীদের বক্তব্য শুনতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।