ওঙ্কার ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বয়স ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে প্রশ্ন তুলছেন অনেক মার্কিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মাথায় এসে বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, কেবল নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়—তাঁর ব্যক্তিগত মানসিক তীক্ষ্ণতাও এখন জনআলোচনার বড় বিষয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক দীর্ঘতম ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ এবং জনসম্মুখে কিছু অসংলগ্ন মন্তব্য ও আচরণের পর উদ্বেগ আরও জোরালো হয়েছে। এমনকি তাঁর নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের মধ্যেও বয়সজনিত প্রভাব নিয়ে ফিসফাস শুরু হয়েছে। বর্তমানে তাঁর বয়স হয়েছে ৮০ বছর। কিছুদিন আগে তাঁর হাতের কালশিটে দাগ সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তারপর থেকেই তাঁর শারীরিক স্থিতি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। কিন্তু বার বার এই ভাবনা কে অস্বীকার করছেন। তিনি বলেছেন তিনি বর্তমানে অসুস্থ নন। অতীতে ট্রাম্প প্রায়শই নিজেকে জো বাইডেনের চেয়ে অধিক কর্মচঞ্চল ও শারীরিকভাবে বেশি সক্ষম হিসেবে তুলে ধরেন। ৮২ বছর বয়সে নিজেকে প্রেসিডেন্টের লড়াই থেকে সরিয়ে নেন অশীতিপর বাইডেন। কিন্তু এবার ট্রাম্প নিজেই পা দিতে চলেছেন আশির ঘরে। তার ঠিক আগেই তাঁর অসুস্থতা নিয়ে তৈরি হওয়া যাবতীয় জল্পনাকে সরিয়ে দিলেন তিনি। তার আগে গত বছরও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তাঁর এমআরআই স্ক্যান করার পর নাকি চিকিৎসক বলেছেন, এত ভালো রিপোর্ট তিনি এর আগে কখনও পাননি!
এই বিষয়ে, ট্রাম্প জানান তিনি অ্যাসপিরিন সেবন করেন হাতে তাঁর কালো দাগ সেই ওষুধের পার্শ্ব পতিক্রিয়ার ফলেই হয়েছে। হোয়াইট হাউস অবশ্য জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের ওই ত্বকের সমস্যার জন্য প্রয়োজনীয় ক্রিম লাগানো হচ্ছে। সেটাও খুবই সাধারণ একটা ক্রিম। এদিন ট্রাম্প অবশ্য তাঁর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেননি। কিন্তু পরিষ্কার করে দিয়েছেন, তিনি একদম সুস্থই রয়েছেন।