বাবলু প্রামানিক ,জয়নগর: রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উদ্যোগে দীঘায় গড়ে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দীঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় ঘোষণা করেছিলেন রথযাত্রার আগে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ রাজ্যের প্রত্যেকটি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দুয়ারে রেশন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যবাসীর হাতে পৌঁছে যাচ্ছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ।
সেই জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদের মিষ্টি তৈরি হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর এলাকার প্রসিদ্ধ একটি মিষ্টির দোকান বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে। ওই প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানে দিনরাত চলছে মিষ্টি তৈরির কাজ। সূত্র মারফত জানা গেছে ওই প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান থেকেই একেবারে প্যাকেটজাত হয়ে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের দুয়ারের রেশন প্রকল্পের রেশন ডিলারদের হাতে।
জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদের জন্য প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানে তৈরি হচ্ছে সুপরিচিত প্রসাদ প্যারা ও গজা। বীণাপানি মিষ্টান্ন ভান্ডার এর প্রসিদ্ধ মিষ্টি ব্যবসায়ী গণেশ দাস জানিয়েছেন, ” স্থানীয় বিডিওর মাধ্যমে আমাদের কাছে এই অর্ডার এসেছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে কিছু প্রসাদ আমাদের কাছে এসেছে সেই প্রসাদ মিশিয়ে এই প্যারা এবং গজা তৈরি করা হচ্ছে। মূলত আমাদের কাছে প্যারা ও ক্ষীরের গজা তৈরি হচ্ছে। এরপরই প্রসাদ প্যাকেটজাত হয়ে চলে যাচ্ছে স্থানীয় বিডিও এবং রেশন ডিলার গুলির হাতে। ”
এ বিষয়ে কারিগর শান্তনু দাস জানিয়েছেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি করেছেন দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ প্রতিটি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার এই মহৎ উদ্যোগ নিয়েছেন। ” দিনরাত এক করে চলছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের মহা প্রসাদ তৈরি করা এবং তার পাশাপাশি প্রসাদ গুলিকে প্যাকেটজাতো করে রাজ্যের রেশন দোকানগুলির ডিলারদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।