ওঙ্কার ডেস্কঃ খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়ার খসড়া তালিকায় নাম না থাকায় শুনানিতে ডাকা হয়েছে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের চার সদস্যকে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন সাংসদ। গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েই অভিযোগ তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তবে তাঁর আনা সমস্ত অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।
সূত্রের খবর, নোটিশ পাঠানো হয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই ছেলেকে। পাশাপাশি ডাকা হয়েছে সাংসদের বৃদ্ধা মাকে এবং বোনকে। শনিবার সকালে কাকলি ঘোষ দস্তিদার অভিযোগ করেন, খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁর দুই ছেলে, বয়স্ক মা এবং ছোট বোনের নাম নেই। তাঁর দাবি, তাঁর স্বামী রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি নিজে ২০০৯ সাল থেকে চারবারের লোকসভা সদস্য। তা সত্ত্বেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি। তিনি বলেন, “স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের নামে আসলে মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে।”
সাংসদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাল্টা একটি বিবৃতি জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। তাঁদের অফিশিয়াল ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে জানানো হয় যে, সাংসদের আনা হয়রানির দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। গোটা প্রক্রিয়াটি আইন মেনেই সম্পন্ন হচ্ছে। কমিশন জানিয়েছে, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যদের ‘আনম্যাপড’ ভোটার হিসেবে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কারণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে তাঁদের কোনও ‘সেলফ-ম্যাপিং’ বা ‘প্রজেনি-ম্যাপিং’ পাওয়া যায়নি।
