ওঙ্কার ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের পর সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের নাম। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ মূলত থ্রেট কালচারে মদত দেওয়ার। সেই চিকিৎসককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল নয়া বিজেপি সরকার। বিরূপাক্ষ আরজি কর হাসপাতালের প্যাথোলজি বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ছিলেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত হওয়া কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, বিরূপাক্ষকে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য দফতর। তৃণমূল জমানার অবসানের পর সাসপেন্ড হওয়া সেই চিকিৎসকের চাকরি বাতিল করে দেওয়া হল। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত। অন্য দিকে বিজেপি বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ স্বাস্থ্য দফতরের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ‘থ্রেট কালচারের কোনও ঠাঁই নেই। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটরাজের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ‘নো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছেন। এটাই তার প্রমাণ।’ সূত্রের খবর, আর জি কর কাণ্ডের সময় ওই হাসপাতালের অধ্যক্ষ ছিলেন যিনি সেই সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বিরূপাক্ষ। তদন্তে বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে তলবও করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সন্দীপ ঘনিষ্ঠ আর এক চিকিৎসক-নেতা অভীক দে’কেও ডাকা হয়েছিল।
বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে শুধু চাকরি থেকে বরখাস্ত করা নয়, তিনি যাতে আগামী দিনে সরকারি চাকরিতে অংশ নিতে না পারেন সে জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলকে সুপারিশ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানায়, বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি তদন্তে কার্যত প্রমাণিত।
ইন্ডেমনিটি বন্ড বাবদ তাঁকে ২০ লক্ষ টাকা ফেরতও দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।