ওঙ্কার ডেস্ক: নির্বাচন পরবর্তী সন্ত্রাস এবং একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক ডেকেছিলেন রবিবার কালীঘাটের বাড়িতে। কিন্তু জল্পনা ছড়িয়েছে তৃণমূল নেত্রীর ডাকে সাড়া না দিলেও জোড়াফুল শিবিরের ৯ জন বিধায়ক মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষের বাড়িতে জড়ো হয়েছিলেন মঙ্গলবার। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে ছিলেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাও। ঘটনাচক্রে তৃণমূল কংগ্রেস সইকাণ্ডে ঋতব্রত এবং সন্দীপনকে বহিষ্কার করেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রথীন ঘোষ ও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। আর সে কারণে মঙ্গলবার কলকাতায় ওয়াই চ্যানেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নায় তাঁকে দেখা যায়নি। তবে বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছেন রথীন ঘোষ। তাঁর দাবি, শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে এসেছিলেন ঋতব্রত। যদিও সংবাদ মাধ্যমের সামনে মঙ্গলবার উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত জানান, ‘সকলের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে। রথীন ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার সঙ্গে দু’একজন বিধায়কও ছিলেন।’
উল্লেখ্য, বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠি অবশ্য বিধানসভায় গ্রহণ করা হয়নি। ঋতব্রতের নেতৃত্বে বিদ্রোহী শিবির দাবি করে, তারা ৫২ থেকে ৫৫ জন বিধায়ক আসল তৃণমূল! ফলে তাদের মধ্যে থেকে কাউকে বিরোধী দলনেতা মনোনীত করতে হবে। সেই দাবিমতোই বুধবার সকালে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির বিধানসভায় হাজির হয়েছে।