ওঙ্কার ডেস্কঃ মমতার সাজানো ঘর ভেঙে চুরমার। তৃণমূলের অন্দরে বড়সড় ফাটল। বুধবার বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের শক্তির আস্ফালন দেখাচ্ছেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষ করে মোট ৫৮ জনের সই সহ অধ্য্ক্ষের কাছে গিয়েছেন তৃণমূল বিধায়করা এমনটাই জানা গিয়েছে।
অধ্যক্ষের কাছে যে চিঠি জমা পড়েছে সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলনেত্রী। পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে তাঁরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নমিনেট করছেন। উপ দলনেতা হিসেবে জাভেদ খান, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। মুখ্য সচেতক হিসেবে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে আখরুজ্জামানের।
বুধবার বেলা গড়াতেই বিধানসভায় বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে একে একে একঝাঁক বিধায়ক হাজির হন। ঋতব্রতের সঙ্গেই বিধানসভায় প্রবেশ করেন শিউলি সাহা, রিয়াজ হুসেন, ইমানি বিশ্বাস এবং সাবিনা ইয়াসমিন। হাওড়া জেলার তিন বিধায়ককেও এদিন তাঁদের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। এছাড়াও বিধানসভায় এসেছেন অরুণাভ সেন।
বুধবার বিধানসভা চত্বর তৃণমূলের ঘরোয়া বিদ্রোহে সরগরম। অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ উপস্থিতি হল মধ্যমগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষের। উল্লেখ্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি রথীন ঘোষকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা এদিন বিধানসভায় ঢোকার মুখে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেন, “আমাদের সঙ্গে তৃণমূলের জয়ী বিধায়কদের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সদস্যের সমর্থন রয়েছে।”